সর্বশেষ আপডেট :January 18, 2020
Ovinews24

অতিথি শিল্পী হয়ে…

September 17, 2019

অভি মঈনুদ্দীন : বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের গর্ব, বিশেষত বাংলাদেশের সিনেমার বহু কালজয়ী গানের সঙ্গীতশিল্পী কনকচাঁপা বেশ কিছুদিন যাবত যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। সেখানে বাংলাদেশী কমিউনিটিদের নিমন্ত্রণে অতিথি শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন চ্যারিটি শো’তে গান গাইছেন তিনি। এরইমধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, ডালাস, আটলান্টা’তে বিভিন্ন চ্যারিটি শো’তে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আবার আগামী সপ্তাহে ভার্জিনিয়াতে একটি শো’তে অংশ নিয়ে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই তিনি দেশে ফিরবেন। এসব অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসেবে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কনকচাঁপা বলেন,‘ আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথেই বলছি, দিন দিন আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা, সম্মান যেভাবে বাড়ছে তাতে সত্যিই মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই, আমি মুগ্ধ হয়ে যাই। গেলো ১১ সেপ্টেম্বর ছিলো আমার জন্মদিন। খুউব ইচ্ছে ছিলো এবারের জন্মদিনে দেশে থাকার। কারণ এবার আমি ৫০ এ পা দিয়েছি। কিন্তু থাকতে পারিনি। আমার পরিবার, আমার অনলাইন ইস্কুলের ৪০ জন বাচ্চা’সহ আমার অন্যান্য ভক্ত যারা আছেন তাদের পরিকল্পনা ছিলো এবারের জন্মদিনটি বিশেষভাবে রাঙ্গানোর। কিন্তু হলোনা। মিস করেছি আমার মায়ের আদর, মায়ের হাতের পায়েস। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে আমার ইচ্ছে না থাকার পরেও এখানে সবার আবেগ, ভালোবাসার কাছে আমি হেরে গেছি। আমার জন্মদিনকে ঘিরে এখানে যারা ছিলেন তারা যে আয়োজন করেছিলেন তাতে বিস্মিত হয়েছি। এই ভালোবাসার সত্যিই কোন তুলনা হয়না।’

কনকচাঁপার অভ্যাস রয়েছে কবিতা লেখার। তবে জীবনে একবারই তিনি গান লিখেছিলেন। গানটি ছিলো ‘আমি সত্যি করে ওভাবেই বলিনি, বলতে চাইনি অমন করে, সুখী করতে গিয়েও আমি, দু:খ দিয়েছি বারে বারে’। মইনুল ইসলাম খানের সুর সঙ্গীতে গানটি গেয়েছিলেন তৃষিতা সাহা। বাংলাদেশের কিংবদন্তী সুরকারদের সুরে বহু শ্রুতিমধুর গান গেয়েছেন কনকচাঁপা। তবে নিজে কখনো সুর করা নিয়ে ভাবেননি একটিবারের জন্যও। তার মতে যার যা কাজ সেটাই তিনি করলে অনেক ভালো হবে। কনকচাঁপা বলেন, ‘ যেহেতু আমি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত নিয়মিত চর্চা করি। তাই এই চর্চার সময় সুরের খেয়ায় ভাসতে ভাসতেই মনের অজান্তেই সুর তৈরী হয়ে যায়। মনে মনে এমন সুর করেছিও। কিন্তু সেসব সুরের বাণিজ্যিকী করণ হয়নি। ’ মানুষ অমর হতে চায়। কনকচাঁপাও এর বাইরে নন। তারপরও যখন ভাবনায় আসে এই দুনিয়াতে একটি সময় তিনি আর থাকবেন না তখন খুউব কষ্ট হয়, খারাপ লাগে। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন মায়ের হাসি, ভিক্ষুকের মুখের হাসি, বৃদ্ধ চাচার চায়ের কাপে তৃপ্তির চুমুক, ছোট বাচ্চাদের ঈদের জামা পড়ার আনন্দ এক অন্যরকম শান্তি এনে দেয় মনে। এই শান্তি ছেড়ে একদিন চলে যেতেই হবে। উল্লেখ্য দেশে ফেরার পর তিনি নিয়মিত স্টেজ শো’তে ব্যস্ত হয়ে উঠবেন কনকচাঁপা।
ছবি : রকিব হোসেনের সৌজন্যে

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

নিশীতা’র কন্ঠ পৌঁছে গেলো আদনান সামী’র কানে

বঙ্গবন্ধু’কে নিয়ে পারভেজের ‘তোমাকে জানাই সালাম’

কন্যা সন্তান নিয়ে এলো বাপ্পা তানিয়ার ঘরে স্বর্গের সুখ

অবশেষে প্লে-ব্যাক করলেন বিন্দু কণা

বিপিএল’-এ খুলনা টাইগার্স’র থিম সং গাইলেন মমতাজ

ফিরলেন সোনিয়া, ইচ্ছে আছে গান গাইবার

Copy link
Powered by Social Snap