সর্বশেষ আপডেট :May 27, 2020
Ovinews24

পঁচিশ বছর পর পপি…

May 14, 2020

অভি মঈনুদ্দীন : দীর্ঘ পঁচিশ বছর পর পুরো রোজার মাস নিজ গ্রামের বাড়ি খুলনাতে পার করছেন। শুধু তাই নয় পুরো রোজার মাসে সেখানে থেকে রোজা রেখে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করে তারপর ঢাকায় আসার চিন্তা করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি। ১৯৯৫ সালে খুলনা থেকে ঢাকায় আসেন পপি। সেই বছরই তিনি ‘লাক্স আনন্দ বিচিত্রা’ ফটোসুন্দরী হন। পরের বছর শহীদুল হক খানের নির্দেশনায় ‘নায়ক’ নাটকে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে। তার পরের বছর মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। সিনেমাতে তার বিপরীতে ছিলেন ওমরসানী। এই ‘কুলি’ সিনেমার মধ্যদিয়েই সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেন পপি। পরবর্তীতে যে কারণে পপিকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক হিট, সুপারহিট সিনেমা দর্শককে উপহার দিয়েছেন পপি। করোনা ভাইরাসের বড় রকমের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার আগেই পপি গ্রামের বাড়ি খুলনাতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে লকডাউনের মধ্যে আর ঢাকায় ফিরে আসতে পারেননি তিনি। বাবা মা, ভাই বোনের সঙ্গে খুলণাতে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন। দীর্ঘ পঁচিশ বছর পর নিজ গ্রামের বাড়িতে রোজা পালন করা প্রসঙ্গে পপি বলেন,‘ সেই যে ১৯৯৫ সালে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য রাজধানীতে গিয়েছিলাম, এরপর আর গ্রামের বাড়িতে এসে রোজা পালন করার কোনই সুযোগ ছিলোনা। কিন্তু এখন পরিস্থিতির শিকার হয়েই হোক কিংবা বাধ্য হয়েউ হোক রোজা নিজ গ্রামের বাড়িতেই করছি। এখানে দাদা দাদী নেই। কিন্তু চাচা চাচী, ফুফু, কাজিনরা আছেন। বেশ ভালো সময় কাটছে আমার, আমাদের সবার। অনেক ভালোলাগা নিয়েই রোজা রাখছি। গ্রামের পঁচিশ বছর পর রোজা’র পরিবেশটাও নিজের মনের মধ্যে অন্যরকম ভালোলাগার পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে সবগুলো রোজাই এখন পর্যন্ত রেখেছি। ভালোভাবে রোজা শেষ করার পর আজ আমাদের সবার প্রিয় সেই ঈদ। জানি এবারের ঈদ অনেকের জন্যই কষ্টের হবে। তারপরও এই কষ্টের মধ্যেই আমাদেরকে ঈদ উদযাপন করতে হবে। যে যার সামর্থ অনুযায়ী যার যার পাশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমার বিশ্বা¤^রড¥স সুন্দর সময় অবশ্যই আবার আসবে ফিরে।’ এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত বাংলাদেশের মানুষ। যদিও লকডাউন চলছে। কিন্তু লকডাউন না মেনেই মানুষ নানানভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়ে এর ব্যাপকতাকে বাড়াচ্ছে। পপি খুলনাতেই করোনায় অসহায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সহযোগিতার হাত নিয়ে। খাবার দেয়া থেকে শুরু করে পপি মাস্ক, হ্যা-স্যানিটাইজারও বিরতরণ করেছেন। দু:খী, অসহায় মানুষের পাশে পপি সবসময়ই ছিলেন। এখন যেন সেই দায়িত্ব তার আরো একটু বেশি, এমনটাই জানালেন পপি।

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

‌ রত্নগর্ভা মায়ের সন্তান জায়েদ

মা ঠিকই বুঝে নেন কোনটা রাগ কোনটা অভিমান-শাহনূর

‘গরবিনী মা সম্মাননা’য় ভূষিত হচ্ছেন পূর্ণিমা’র মা

নিজের সামর্থ দিয়েই ৫০ পরিবারের পাশে চমক তারা

আক্কাস’কে মনে পড়ে আজও ববিতা’র

শেখ রেহানা’র চরিত্রে সামান্তা

Copy link
Powered by Social Snap