সর্বশেষ আপডেট :নভেম্বর ১৩, ২০১৯
Ovinews24

ভাওয়াইয়া গানের পথিকৃৎ’র জন্ম বার্ষিকী উদযাপিত

নভেম্বর ৭, ২০১৯

গেলো বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের লেডিস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো আব্বাসউদ্দীন সঙ্গীত একাডেমির ৩০’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং উপমহাদেশের ভাওয়াইয়া গানের পথিকৃৎ মরমী শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমেদ’র ১১৮’তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়। আব্বাসউদ্দীনের সুযোগ্য কন্যা বিশিষ্ট সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব ও আব্বাসউদ্দীন সঙ্গীত একাডেমির প্রিন্সিপাল ফেরদৌসী রহমানের উদ্যোগে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বুধবার বিকেল পাঁচটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোক গবেষক, লেখক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব , কন্ঠশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী। তিনিই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য লোকশিল্পী ও ঢাকা মিউজিক কলেজের অধ্যাপক ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ও সাংবাদিক সাদিয়া আফরিন মল্লিক ও বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী লেখক, অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফেরদৌসী রহমান। তিনি বলেন,‘ আজ ভীষণভাবে মনে পড়ছে এই সঙ্গীত একাডেমির শুরুর দিকের কথা। এই সঙ্গীত একাডেমির প্রথম মোমবাতি জ্বালানোর অর্থ আমার স্বামী রেজাউর রহমানই দিয়েছিলেন। তারপর থেকে এই একাডেমির অর্থায়নেই একাডেমি পরিচালিত হয়েছে। কষ্টের বিষয় হচ্ছে এই তিন দশকে বিভিন্ন দল ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু আব্বাসউদ্দীন একাডেমির জন্য একটি নির্ধারিত স্থান করে দিতে কোন সরকার এগিয়ে আসেনি। আমি কাউকে কিছু বলতে পারিনা যে এটা করে দাও , ওটা করে দাও। আমি জানিনা আমার অনুপস্থিতিতে এই একাডেমির কী হবে। তাই আমি নাশিদ কামালকে অনুরোধ করছি এখনই হাল ধরার জন্য। আমার বাবা আব্বাসউদ্দীন বেঁচে থাকবেন আগামী প্রজন্মের মধ্যে তাদের গানে গানে। আমি যে এই প্রজন্মের শিশুদের মধ্যে গানের বিষয়টা ফুটাতে পারছি, এটাই অনেক কিছু।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ফেরদৌসী রহমান

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুস্তাফা জামান আব্বাসী বলেন,‘ আপনারা সবাই কষ্ট করে এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন তাতেই আন্তরিকভাবে মুগ্ধ। আপনারাই আমাদের আগামীদিনের অনুপ্রেরণা, ভালোলাগা, ভালোবাসা। ছোট ছোট শিশুদের মধ্যেই আমরা আগামী দিনের প্রতিনিধি খুঁজে পাচ্ছি। একদিন হয়তো আমরা থাকবোনা। কিন্তু তাদের মধ্যদিয়েই আব্বাসউদ্দীন আহমেদ যুগের পর যুগ বেঁচে থাকবেন।’ ইন্দ্র মোহন রাজবংশী বলেন,‘ একজন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ’র জন্ম না হলে আব্দুল আলিমের উত্থান হতোনা ঠিক তেমনি আমাদেরও জন্ম হতোনা। তাই একজন আব্বাসউদ্দীন আহমেদকে আমাদের বুকের মধ্যে লালন করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে আরো সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সাদিয়া আফরিন মল্লিক, ড. নাশিদ কামাল, সঙ্গীত পরিচালক ওস্তাদ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সঙ্গীতশিল্পী রুমানা ইসলাম, মেহরিন, দিঠি আনোয়ার, সংবাদ পাঠিকা শামীম আরা মুন্নী’সহ আরো অনেকে। আলোচনা পর্ব শেষে একাডেমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সঙ্গীত পরিবেশন করেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী এবং একাডেমির শিক্ষার্থীরা।
ছবি ও লেখা : অভি মঈনুদ্দীন

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

প্রকাশিত হলো তাদের ‘কোথাও কেউ নেই’

বশির আহমেদ’র ৮০’তম জন্মদিনে তাদের শ্রদ্ধাঞ্জলী

৩৫ বছর পর জাতীয় চলচ্চিত্র সম্মানায় উচ্ছসিত আঁখি

কাল প্রকাশ পাচ্ছে ইউসুফ-আনিকা’র ‘কোথাও কেউ নেই

দেশাত্ববোধক গানে সেরাকন্ঠের সেই তিন্নি

আমার কাছে এটি অনেক বড় সাফল্য-রুনা লায়লা

Copy link
Powered by Social Snap