সর্বশেষ আপডেট :March 30, 2020
Ovinews24

মেকাপ আর্টিস্ট মোহসীনের সাফল্যের দুই যুগ

March 4, 2020

মিলান আফ্রিদী: মোহসীন আহমেদ, একজন মেকাপ আর্টিস্ট। অনেক তারকা শিল্পীদের কাছে মোহসীন আহমেদ একজন প্রিয় মেকাপ শিল্পীর নাম। তারকাদের যেকোন ধরনের চরিত্র মেকাপের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে মোহসীন আহমেদ অনন্য। অবশ্য অনন্য হবারই কথা, কারণ তার ওস্তাদই এই দেশের একজন প্রখ্যাত মেকাপ আর্টিস্ট। বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকাপ আর্টিস্ট খলিলের শীষ্য মোহসীন। সম্পর্কে আবার খলিলের ভাতিজাও তিনি। মাত্র ১১ বছর বয়সে বরিশালের ছেলে মোহসীন আহমেদ ১৯৯৩ সালে খলিলের সহকারী মেকাপম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে এক সময় নিজেই পেশাগতভাবে একজন পূর্ণাঙ্গ মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। রিংগো পরিচালিত একটি গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং-এ সর্বপ্রথম শমী কায়সারকে মেকাপ দেন মোহসীন। তবে সিনেমাতে প্রথম কাকে মেকাপ দিয়েছিলেন সেটা আজ আর মনে নেই। চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তী শাবানা, রাজ্জাক থেকে শুরু করে বহু নায়ক নায়িকাকে মেকাপ দিয়েছেন তিনি। প্রয়াত শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত বহু সিনেমার মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন মোহসীন। ২০০৩ সালে শুভ্র খানের নির্দেশনায় একটি নাটকে মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরুর করার মধ্যদিয়ে নাট্যাঙ্গনে তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনে প্রথম মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে তিনি ৮০০ টাকা পান। বর্তমানে একজন মেকাপ আর্টিস্টি হিসেবে আড়াই থেকে তিন/চার হাজার টাকাও পারিশ্রমিক নেন কাজ বুঝে। বরিশালের পটুয়াখালীর সন্তান মোহসীনের বাবা মতি সিপাহী ও মা মাতুরা বেগম। মোহসীনেরা পাঁচ ভাই, তিন বোন।

২৮ মার্চ ১৯৮২’তে জন্ম নেয়া মোহসীনের স্বপ্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করা। একজন মেকাপ আর্টিস্টকেও পথচলতে হলে শিল্পীদের সহযোগিতার বিশেষভাবে দরকারও হয়। মোহসীন কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন অভিনয়শিল্পী তমালিকা কর্ম্মকার, রিচি সোলায়মান, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, জাকিয়া বারী মম, মেহজাবিন চৌধুরী, তানজিন তিশার কাছে। একজন মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে তাদের সহযোগিতায় তিনি আজকের মোহসীন আহমেদ’এ নিজেকে পরিণত করেছেন। মোহসীন বলেন,‘ শিল্পীরা আমাকে ভীষণ ভালোবাসেন, স্নেহ করেন। তাদেরকে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে চরিত্রানুযায়ী মেকাপ দিয়ে স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী চরিত্র দাঁড় করানোর চেষ্টা করি। আমার কাজে যখন শিল্পীরা খুশি হন , তখন আসলে ভীষণ ভালোলাগে। তাদের ভালোবাসায় আমি আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে চাই। আমি গ্রামের সাধারণ একজন মানুষ। কিন্তু এই পেশাকে ভালোবেসে কাজ করে যাচ্ছি নিরলসভাবে। আমি কৃতজ্ঞ আমার ওস্তাদ খলিল ফুফার কাছে। কারণ তার দেখানো পথেই আমি আজো পথ হেটে চলেছি।’
ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

বাবা হলেন ফটোসাংবাদিক মোহসীন আহমেদ কাওছার

‘বশির আহমেদ সম্মাননা’য় ভূষিত কিংবদন্তী’রা

একই প্রতিষ্ঠানের দশটি শো’তে শান্তা জাহান

অভিনয়ে নয় উপস্থাপনাতেই প্রতিষ্ঠা চান নীল হুরেজাহান

নিইউয়র্কে মেয়ের মা বাবা হলেন রুমানা-এলেন

নতুন দুই বিজ্ঞাপনে বিদ্যা সিনহা মিম

Copy link
Powered by Social Snap