সর্বশেষ আপডেট :March 30, 2020
Ovinews24

যুবরাজ খালেদ খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন রুনা খান

December 4, 2019

অভি মঈনুদ্দীন : প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হলেন ভার্সেটাইল অভিনেত্রী রুনা খান। তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘হালদা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি এই শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে এই পুরস্কার পেলেন। আগামী ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে রুনা খান এই সম্মাননা গ্রহন করবেন। তবে নিজের অভিনয় জীবনের আজকের অবস্থানের পেছনে এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তিতে কিছু মানুষের কাছে রুনা খান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। শুরুতেই যে মানুষটির কথা রুনা খান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি সাংবাদিক দাউদ হোসেইর রনি। রনির হাত ধরেই থিয়েটারের সাথে রুনা খানের সম্পৃক্ততা। তবে সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ তিনি বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের যুবরাজ’খ্যাত অভিনেতা খালেদ খানের প্রতি। রুনা খান বলেন,‘ আমি যখন নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের প্রথম নাটকটি করি। তখন রিহার্সেলের কারণে প্রায় সময়ই দেরী করে আমাকে ইডেন কলেজের ছাত্রী নিবাসে যেতে হতো। কিন্তু রাত আটটার পর ছাত্রী নিবাস বন্ধ হয়ে যাবার কারণে আমাকে সেই সময়টাতে শ্রদ্ধেয় খালেদ খান তারই বাসায় আশ্রয় দিয়েছিলেন টানা দুই বছর। তিনি যদি আমাকে সেই সময় এই আশ্রয়টুকু না দিতেন তাহলে সেই সময় আমার জন্য থিয়েটার করা অনেকটাই কষ্টসাধ্য হয়ে যেতো। কারণ তখন ঢাকা শহরে আমার বাবা মা ছিলেন না। তাই আজ নিজের জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার কথা ভীষণ মনে পড়ছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তার প্রতি। একজন খালেদ খান আমার আপন মামা বা চাচা কেউ নন। কিন্তু তিনি আমাকে শুধুমাত্র আশ্রয় দিয়ে আমার জন্য যা করে গেছেন তা আপন মামা চাচার চেয়েও অনেক বেশি।’ রুনা খান জানান, একজন খালেদ খান তাকে মঞ্চ নাটকে কিংবা টিভি নাটকে কাজ করার ক্ষেত্রে কোন সহযোগিতা না করলেও শুধু আশ্রয়টুকু দিয়ে যা করেছেন তাতেই তিনি আজীবন তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন।

রুনা খান হালদা সিনেমায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তিতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মহান আল্লাহর কাছে, তার বাবা মায়ের কাছে, তার স্বামী এষণ ওয়াহিদ, তার পরিবারের সবাই, নির্মাতা তৌকীর আহমেদ ও হালদা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি জুরি বোর্ডের সম্মানিত বিচারক মণ্ডলীর প্রতি, কারণ তারা যোগ্য মনে করেছেন বিধায়ই এই সম্মাননা পেলেন তিনি। সর্বোপরি তার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যারা তাকে সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন, তাকে ভালো বেসেছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন এবং সংবাদ মাধ্যমের সবার প্রতিই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। রুনা খান এই মুহুর্তে মানিকগঞ্জে আছেন। সেখানে তিনি রাফাত মজুমদার রিংকুর নির্দেশনায় ‘বোধ’ নামের একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করছেন। এছাড়াও গেলো মঙ্গলবার তিনি গাজী ফারুকের নির্দেশনায় ‘মধ্যস্বত্ত্ব ভোগী’ নাটকের কাজ শেষ করেছেন। প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তিতে রুনার স্বামী এষণ ওয়াহিদ তাকে একটি গহনার সেট ও একটি শাড়ি উপহার দিয়েছেন। আর তা পরিধাণ করেই তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গ্রহণ করবেন। রুনা খানের জন্ম টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে, কিন্তু তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সুখীপুরে।
ছবি : আলিফ হোসেন রিফাত

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

অভিনয়ে আলোর পথে রেশমী

বাবু’র নির্দেশনায় মোশাররফ-মম’র ‘উচ্চতর ভালোবাসা’

বঙ্গবন্ধু’র জন্ম শতবার্ষিকী’তে ‘সোনিয়াক’-এ সোনিয়া’র শ্রদ্ধা

প্রাপ্ত সাহিত্য পুরস্কার বিশ্বের সকল নারী’কে উৎসর্গ করলেন শানু

সিনেমা-নাটকে অনবদ্য মাহমুদুল ইসলাম মিঠু

চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে নির্ভরতা বাড়ছে জুঁই’তে

Copy link
Powered by Social Snap