সর্বশেষ আপডেট :December 6, 2019
Ovinews24

শুভ জন্মদিন দাপুটে অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু

August 21, 2019

বিনোদন প্রতিবেদক : টিভি নাটকের ও সিনেমার দাপুটে অভিনেতা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ফজলুর রহমান বাবুর জন্মদিন বৃহস্পতিবার। টিভি নাটকে তার আলোচিত নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘মৃত্যু ক্ষুধা’, ‘ইতিকথা’, ‘জয় জয়ন্তী’,‘ভেলকি’, ‘বিনে সুতোর মালা’,‘অগ্নিরথ’,‘গর্ভধারিনী’,‘বউ কুড়ানি’,‘ফেরারী পাখি’,‘আজরাঈল’,‘আজব ছেলে’,‘রহমান গায়েন’,‘রাতের অতিথি’, ‘সিঁধেল চোর’, ‘আমাদের হাটখোলা’, ‘দুই বাটপার’,‘বেলা অবেলার গল্প’ ইত্যাদি। এসব নাটক ছাড়াও আরো শত শত নাটকে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। আবু সাইয়ীদের ‘শঙ্খনাদ’ সিনেমায় ব্যতিক্রমধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলেন ফজলুর রহমান বাবু। এরপর তিনি ‘না বলোনা’,‘আহা!’,‘দারুচিনি দ্বীপ’,‘স্বপ্নডানায়’,‘মনপুরা’,‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’,‘অজ্ঞাতনামা’, ‘হালদা’,‘স্বপ্নজাল’,‘নূরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার’,‘ফাগুন হাওয়ায়’সহ আরো বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকেরও মন জয় করেছেন। ফরিদপুরের পশ্চিম আলীপুরে জন্ম ফজলুর রহমান বাবুর। পরিবারের তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি মেজো। বাবুর বাবা প্রয়াত মুখলেছুর রহমান এবং মা প্রয়াত নূরজাহান বেগম। ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বাবু কাজী রোকসানা আক্তারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুই কন্যা অবন্তী ও প্রিয়ন্তী। ফরিদপুর কমার্স কলেজের ছাত্র তখন বাবু। আর সেই সময়েই তিনি ‘ফরিদপুর টাউন থিয়েটারের ‘তালেব মাস্টারের হালখাতা’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। এরপর তিনি ফরিদপুরের ‘বৈশাখী নাট্যগোষ্ঠী’র সঙ্গে কাজ করেন টানা তিন বছর। ১৯৮২ সালে অগ্রণী ব্যাংকে চাকরি শুরু তার। ১৯৮৩ সালে অভিনেতা আজিজুল হাকিমের সহযোগিতায় ‘আরণ্যক’ নাট্যদলের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। এই দলের হয়ে প্রথম কাজ করার সুযোগ পান ‘সাত পুরুষের ঋণ’ নাটকে। তবে প্রধান চরিত্রে প্রথম কাজ করেন তিনি মামুনুর রশীদের রচনা ও পরিচালনায় ‘গিনিপিগ’ নাটকে। এরপর থেকেই এই দলের হয়ে অভিনয় করেছেন ‘সমতট’, ‘অববাহিকা’, ‘পাথর’, ‘খেলা খেলা’, ‘জয়জয়ন্তী’, ‘ইবলিশ’, ‘ওরা কদম আলী’সহ আরও বেশকিছু নাটকে। পাশাপাশি রেপারেটরি নাট্যদল বাংলা থিয়েটারের হয়ে অভিনয় করেছেন ‘মানুষ’, ‘লেবেদেভ’, ‘আদিম’ নাটকে। ফজলুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমার অভিনয় শুরু ফরিদপুরে হলেও অভিনয় বিষয়ে জ্ঞান এবং যথাযথ শিক্ষা লাভ করি আমি আমার গুরু মামুনুর রশীদের কাছ থেকে। তার সাহচর্য না পেলে হয়তো আজকের বাবু হয়ে ওঠা হতো না।’ টিভিতে বাবুকে প্রথম দেখা যায় কাজী আবু জাফর সিদ্দিকের প্রযোজনায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’ নাটকে। সাপ্তাহিক নাটকে তাকে প্রথম দেখা যায় মামুনুর রশীদের ‘আদিম’ নাটকে। তবে যে নাটকটি দর্শকের কাছে অভিনেতা হিসেবে তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে সেটি হলো মামুনুর রশীদ রচিত ও আলাউদ্দিন আহমেদ প্রযোজিত ‘ইতিকথা’ ধারাবাহিক। এরপর বহু টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় ‘বিহঙ্গ’ চলচ্চিত্রে প্রথম বাবুকে বড়পর্দায় দেখা যায়। এরপর তিনি আবু সাইয়ীদের ‘শঙ্খনাদ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিনেতা হিসেবেই বাবুর ব্যাপক পরিচিতি। তবে এর পাশাপাশি তিনি গানও করেন। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমায় গান গেয়ে মূলত গায়ক হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি মিক্সড অ্যালবামে গান গাইলেও বাজারে তার একক অ্যালবাম একটি। নাম ‘ডুবাডুবি’। এটি বেশ কয়েক বছর আগে সঙ্গীতা থেকে বাজারে আসছে।

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

সংবাদ পাঠে মুন্নীর দুই দশক, ১২ বার শ্রেষ্ঠত্বর পুরস্কারে ভূষিত

স্ত্রীর জন্মদিনে আমিন খানের সারপ্রাইজ

জন্মদিনেও শুটিং-এ সাজু খাদেম

‘তোর মনপাড়া’য় খ্যাত রাসেলের জন্মদিন আজ

শুভ জন্মদিন ইউসুফ আহমেদ খান

শুভ জন্মদিন জাহিদ হাসান

Copy link
Powered by Social Snap