সর্বশেষ আপডেট :সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
Ovinews24

সালমানকে যাবে না ভোলা…

সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯

রকিব হোসেন : সালমান শাহকে ভুলতে পারেননি তার ভক্তরা। তাকে যাবে না ভোলা। এটা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন প্রয়াত এই নায়কের অনেক ভক্ত-অনুরাগী। আজ সালমান শাহর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সশরীরে তিনি না থাকলেও ভক্তরা নায়কের ছবি তাদের হৃদয় মন্দিরে বাঁধাই করে রেখেছেন। সালমার শাহ ছিলেন বালাদেশের চলচ্চিত্র জগতের নব্বই দশকের অন্যতম সুদর্শন নায়ক। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১১/বি, নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসার নিজ কক্ষে সালমান শাহকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। সোহানুর রহমান সোহানের পরিচালনায় ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে অকাল প্রয়াত এই নায়কের। প্রথম ছবিতেই দর্শকের মন জয় করে নেন সালমান শাহ। এরপর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সালমান মানেই একের পর এক হিট ছবি। তার অভিনয়জীবন শেষ হয় ‘বুকের ভেতর আগুন’ ছবির মাধ্যমে। সালমান সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি ছবিতে জুটি হয়েছেন নায়ক। চলচ্চিত্রের বাইরে টিভি নাটকেও কাজ করেছেন এই অভিনেতা। এ মাধ্যমেও সাফল্য পেয়েছেন তিনি। কিন্তু নায়কের মৃত্যু নিয়ে আজো নানা রহস্যের খেলা চলছে। সালমান শাহকে নিয়ে স্মৃচিারণ করতে গিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী বলেন, ‘সালমান আর আমার মধ্যে সম্পর্ক গভীর ছিল।

অনেক খুটিনাটি বিষয় আমরা শেয়ার করতাম, যা কাউকে বলতে পারতাম না। আমার জ্বর হলে ওর ভালো লাগত না, ওর কোনো অসুখ হলে আমার না। আমাদের আত্মার একটা টান ছিল। দেখা গেল, জ্বরের কারণে আমি শুটিংয়ে যেতে পারিনি, পরিচালকের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ও আমার সাথে দেখা করতে চলে আসত। ওর কোনো ভালো হলে আমার ভালো লাগত, ওর খারাপ হলে আমার খারাপ লাগত। এমনই ছিল আমাদের অনুভূতি।’ মৌসুমী আরো জানান, সালমানের সঙ্গে তার পরিচয় অভিনয়ের সুবাধে নয়। তার ছোটবেলার বন্ধু ছিল সালমান। মৌসুমীর ভাষায়, ‘আমরা তখন খুলনায় থাকতাম। ছোটবেলায় ইমন (সালমান শাহ ডাকনাম) আর আমি প্লে গ্রুপ ও নার্সারিতে একসঙ্গে পড়েছি। বাবার চাকরির কারণে ইমনের পরিবার খুলনা সার্কিট হাউসে থাকত। ওই স্কুলে আমার ফুফু ছিলেন টিচার। তার ছুটি হওয়া পর্যন্ত ইমনদের বাসায় আড্ডা দিতাম। সেও আমাদের বাসায় যাওয়া-আসা করত। এভাবে ভালো বন্ধুত্ব হয়। এরপর হঠাৎ ওরা ঢাকায় চলে আসে। সালমান ঢাকায় চলে এলে আমাদের সম্পর্কে একটা ছেদ পড়ে। এরপর কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমায় কাজের সুবাদে আমাদের আবার দেখা হয়। বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর দেখা হওয়ার যে আকাঙ্খা থাকে, তা ছবিটি করতে গিয়ে নতুন করে টের পাই। ছবিতে কাজ করার সময় আমাদের দেখা হলে আমরা আবেগাপ্লুত হলাম। অল্প কদিনেই আমাদের সম্পর্ক আবার আগের রূপ নেয়। নিজেদের সবকিছুই একজন আরেকজনের সঙ্গে শেয়ার করতাম। সালমান নেই, ভাবতেই খারাপ লাগে।’

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

বাবার জন্য দোয়া চাইলেন রাজু রাজ

হাবিবকে সাধুবাদ জানালো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি

গানই তার আরাধনা…

Copy link
Powered by Social Snap