সর্বশেষ আপডেট :নভেম্বর ১৩, ২০১৯
Ovinews24

৩৫ বছর পর জাতীয় চলচ্চিত্র সম্মানায় উচ্ছসিত আঁখি

নভেম্বর ৯, ২০১৯

বিনোদন প্রতিবেদক : আঁখি আলমগীর, বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক আলমগীরের সুযোগ্য উত্তরসূরী। ছোটবেলায় অর্থাৎ ১৯৮৪ সালে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় বাবার সঙ্গেই প্রয়াত আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘ভাত দে’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। সেই সিনেমাতে অভিনয়ের পর শিশু শিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন আঁখি আলমগীর। তবে এরপর আর অভিনয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। বাবা মায়ের উৎসাহে নিজেকে গড়ে তোলেন আঁখি একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে। দীর্ঘদিনের সঙ্গীত জীবনের পথচলায় আঁখি আলমগীর নিজেকে একজন পূর্ণ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে গড়ে তোলেন। আজ থেকে ঠিক পঁচিশ বছর আগে প্রথম দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘বিদ্রোহী বধূ’ সিনেমায় প্লে-ব্যাক করেন। আনোয়আর জাহান নান্টুর সুর সঙ্গীতে সাগর জাহানের সঙ্গে দ্বৈতভাবে প্লে-ব্যাক করেন তিনি। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত দুই শতাধিক সিনেমায় প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি। সঙ্গীত জীবনে পথ চলতে চলতে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী রুনা লায়লা’র প্রথম সুর করা গানেই কন্ঠ দেবার সৌভাগ্য হয় আঁখি আলমগীরের। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’তে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ঐ কল্পলোকে জানি’ গানে কন্ঠ দেন। গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছিলেন আঁখি আলমগীরেরই বন্ধু ইমন সাহা। আর এই গানটির জন্যই শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার পেলেন রুনা লায়লা এবং শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও পুরস্কার পেলেন আঁখি আলমগীর। ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আঁিখ আলমগীর এই সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন। ছোট্টবেলায় অভিনয়ের জন্য এবং বড় বেলায় সঙ্গীতের জন্য ৩৫ বছর পর এই প্রাপ্তিতে ভীষণ উচ্ছসিত আঁখি আলমগীর।

আঁখি আলমগীর বলেন,‘ এই সম্মাননায় আমার নামটি ঘোষণা হবার পর আমার বারবার শুধু একটি কথাই মনে হয়েছে যে সঠিক সময়ে আমাকে মূল্যায়ণ করা হয়েছে। অনেকেই বলেছেন আমার আরো আগেই গানে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু আমার বারবার মনে হচ্ছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের যে ওজন তা বইবার মতো যে বয়স সেটা আমার এখন হয়েছে। তাই সঠিক সময়েই পাওয়া হলো আমার। আর শুরুতেই আমি যার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তিনি আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা। আন্টিই মূলত চেয়েছিলেন আমি যেন গানটিতে কন্ঠ দেই। তার প্রবল উৎসাহের কারণে গানটি গাওয়ার জন্য নিজের ভেতর সাহস সঞ্চয় করেছিলাম। আর আমার বাবা একজন অভিজ্ঞ প্রযোজক, পরিচালক, নায়ক। তার অভিজ্ঞতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মুর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই বাবার আগ্রহেও গানটি করা। যথারীতি শ্রদ্ধেয় গাজী মাজহারুল আনোয়ার অসাধারণ গীতিকবিতা লিখেছেন এবং আমার বন্ধু ইমন চমৎকার মিউজিক অ্যারেঞ্জম্যান্ট করেছেন। যে কারণে একটি ভালো গান হয়েছে। জনপ্রিয় কিংবা সুপারহিট গান হয়তো নয় এটি। কিন্তু এটি একটি ভালো গান। আর ভালো গানই পুরস্কারের জন্য মূল্যাতি করা হয়। আমাকে, আমার গানকে, শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা আন্টিকে মূল্যায়ণ করা হয়েছে, এটাই আমার অনেক বড় প্রাপ্তি।’ উল্লেখ্য সম্প্রতি আঁখি কলকাতাতেও সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।

Leave a Reply

এটাও পছন্দ করতে পারেন

প্রকাশিত হলো তাদের ‘কোথাও কেউ নেই’

বশির আহমেদ’র ৮০’তম জন্মদিনে তাদের শ্রদ্ধাঞ্জলী

কাল প্রকাশ পাচ্ছে ইউসুফ-আনিকা’র ‘কোথাও কেউ নেই

দেশাত্ববোধক গানে সেরাকন্ঠের সেই তিন্নি

আমার কাছে এটি অনেক বড় সাফল্য-রুনা লায়লা

রুনা লায়লা’র জন্মদিনে ‘স্টার জলসা’র বিশেষ আয়োজন

Copy link
Powered by Social Snap